Kommon Krait(কালাজ) in Bengali
বিষধর সাপ
কালাজ(Common Krait)
দেহ- লম্বায় 2 থেকে 3 ফুট। ফনা নেই। মাঝারি চেহারার সাপ।
গায়ের রং-মাথার ঠিক নিচ থেকে কালোর উপর সরু সাদা জোড়া চুড়ির মত গোল গোল দাগ থাকে।
চোখ- চোখ আছে কিন্তু স্পষ্ট দেখতে পারে না এরা যে কোন জিনিসকে ঘোলা দেখে। সাপ স্থির বস্তু কে দেখতে পারে না কিন্তু নড়াচড়া বস্তুকে অনুমান করতে পারে।
বাসস্থান-এই সাপ শুকনো জায়গায়, বাড়ির আশপাশ বাগান ঝোপঝাড় অবস্থান। এরা বেশিরভাগ রাতে বের হয়।
স্বভাব-অন্যান্য সাপের থেকে এই সাপ একেবারে অন্য স্বভাবের । এই সাপটি সবসময় গরম জায়গা খুঁজে বেড়ায়। তাই এরা সুযোগ পেলে বিছানার চাদরের নিচেে ঢুক পড়ে।
কামড়ের দাগ-এক বা দুটি বিন্দুর মতো দাগ হয়। অতি সূক্ষ্ম কামড়ের দাগ হয় অতি সহজে খুঁজেে পাওয়ায় না । বিন্দু কালচে বর্ণ ধারণ করে। আক্রমণ জায়গা থেকে জ্বালা যন্ত্রণা হতে পারে আবার নাও হতে পারে। পেট ব্যথা বমি ভাব বা পায়খানা ভাব সারা শরীর ব্যথা গলায় ব্যথা সময়ের সাথে সাথে উপসর্গগুলি পরিবর্তন হতে থাকে।
মারন ডোজ - নিউরোটক্সিক গ্রুপের সাপ। এদের মারন ডোজ 1 মিলিগ্রামের ও কম।
আঞ্চলিক নাম-শিওর চাঁদা, ডোমনা চিতি , ঘামচাটা, চিতি ,কালা চিতি
বাঁচার উপায় -যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
মনে রাখবেন রোগী কখনো নিজে হেঁটে বা দৌড়ে বা সাইকেলে বা গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে না যায়। এতে রোগীর ব্লাড সার্কুলেশন বেড়ে যায় আর রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই বাইক চেপে বা গাড়ি করে রোগীকে নিয়ে যান।
মনে রাখবেন রোগী কখনো নিজে হেঁটে বা দৌড়ে বা সাইকেলে বা গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে না যায়। এতে রোগীর ব্লাড সার্কুলেশন বেড়ে যায় আর রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই বাইক চেপে বা গাড়ি করে রোগীকে নিয়ে যান।
আর একটি কথা মনে রাখবেন রোগীকে সাহস দাওয়া ও আশে-পাশে লোকেরা এমন কোন কথা না বলে যা রোগীর কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
কারণ আতঙ্কও রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কি কি করবেন না- কামড়ানোর জায়গায় কোন কাটা-ছেড়া , অ্যাসিড দিয়ে পোড়ানো বা খুব শক্তভাবে বাঁধ দেবেন না।
কাটা ছেঁড়া করলে নির্বিষ সাপ কামড়েছে কি বিষাক্ত সাপ কামড়েছে তা সনাক্ত করতে অসুবিধা হয়।
আর যদি শক্ত করে বাঁধ দেন তাহলে সেই জায়গাটা রক্তচলাচল বন্ধ হয়ে চিরজীবনের জন্য জায়গাটা অচল হয়ে যেতে পারে।
নিজেকে বাঁচানোর জন্য এই নিয়ম গুলি অনুসরণ করার পাশাপাশি এই পরিবেশের জীবের বৈচিত্র ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই সাপটিকে না মেরে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
“ওঝার কাছে না গিয়ে অযথা সময় নষ্ট না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।"
" মনে রাখবেন একমাত্র বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে একজন সাপে কাটা রোগীকে বাঁচানো সম্ভব। তাই ওঝা নয় হাসপাতাল।“
"আরো বিস্তারিত ভাবে জানতে আলিপুরদুয়ার বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সাথে যোগাযোগ করুন।"
ছবি: internet থেকে নেওয়া।
Comments
Post a Comment